শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
চিলাউরা বাজারে নির্বাচনী সভায় কয়ছর আহমদ; আমি সততার সাথে উন্নয়ন করবো জগন্নাথপুরের লন্ডন প্রবাসীর আগুনে পুডানো লাশ উদ্ধার,পরিবার বাক রুদ্ধ কয়ছর আহমদ বিজয়ী হলে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হবে, জগন্নাথপুরে ধানের শীষের সমর্থনে ব্যাপক গনসংযোগ ভারত হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে জগন্নাথপুরে প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কয়ছর আহমদ; ধানের শীষের বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ জগন্নাথপুরে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভার বিষয়টি সাংবাদিক দের জানানো হয়নি! সিলেটে জনসভায় তারেক রহমান; তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল এক টাকা ঘুসের প্রমাণ দিতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব: ডিসি সারওয়ার উত্তর জগন্নাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা-অভিভাবক সমাবেশ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ব্যাগ বিতরন জগন্নাথপুরে আচরন বিধি পালন ও নির্বাচন সুষ্ঠু করতে অবহিতকরণ সভা   

জগন্নাথপুরের মীরপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী আলম ১টি ভোটও পাননি!!!

জগন্নাথপুরের মীরপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী আলম ১টি ভোটও পাননি!!!

সানোয়ার হাসান সুনু :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদন্ধিতা করে মাহমুদ আলম নামের এক প্রার্থী ১টি ভোটও পাননি। তার নিজের ভোটটিও বাক্সে পড়েনি। এ যেন এক অভাবনীয় ঘটনা। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে।

সোমবার রাতে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণাকালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মাহমুদ আলম (মোরগ প্রতীক) কোনো ভোট পাননি বলে ঘোষণা দেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

এ ওয়ার্ডে ৭জন প্রার্থী ইউপি সদস্য পদে অংশ নেন। ফলাফলে দেখা যায়, আবদুল ওয়াহাব (ভ্যানগাড়ি) ২৮৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রফিক উদ্দিন (টিউবওয়েল) ২৩৬ ভোট পান।

৭নং ওয়ার্ড ও মীরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল বাশার বলেন, প্রার্থী মাহমুদ আলম তাঁর নিজের, তাঁর এজেন্টের ও পরিবারের কারো কোনো ভোট পাননি; এটা অভাবনীয় ঘটনা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর নির্বাচন হয়েছে আর এ নির্বাচনে এক প্রার্থী কোনো ভোট পাননি, এটা মীরপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে ইতিহাস হয়ে থাকবে।

বুধবার রাতে এব্যাপারে মেম্বার প্রার্থী মাহমুদ আলমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে আলাপ করলে তিনি জানান, আমার আব্বা গুরুত্বর অসুস্থ হলে উনাকে নিয়ে সিলেটস্থ নয়া সড়ক মাউন্ট এডোরা হসপিটালে চিকিৎসারত ছিলাম। আব্বা লাইফ সার্পোটে ছিলেন এবং গত সোমবার তিনি মারা যান। এজন্য আমি নির্বাচন করতে পারিনি এবং আমার আত্মীয় স্বজনদের অন্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য বলি।

বুধবার রাতে এব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান সাথে আলাপ হলে তিনি বলেন, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে মাহমুদ আলম একজন বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। কিন্তু তিনি কেন ১টি ভোটও পাননি, এটা একটা অভাবনীয় ঘটনা। এনিয়ে আমরা তদন্ত করব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2023 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com