সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বন্ধ থাকলে বুঝব ‘ডাল মে কুচ কালা হ্যায়’: শিক্ষামন্ত্রী আলোচনা ব্যর্থ ঘোষণার পরেই পাকিস্তান ছাড়লেন মার্কিন প্রতিনিধি হাওর রক্ষাবাঁধে দুর্নীতির প্রতিবাদে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন  জগন্নাথপুরে ৮০ লিটার বাংলা মদসহ গ্রেফতার ১ ভূমধ্যসাগরে মৃত্যু; জগন্নাথপুর থানায় ৫ দালালের  বিরুদ্ধে মামলা  জগন্নাথপুরের নিহত ৫ যুবকের পরিবারে বুক ফাটা কান্না, আর যেন কেউ অন্ধকার পথে পা না বাড়ায়   জগন্নাথপুরে উপজেলা ও পৌর  পূজা উদযাপন পরিষদের সন্মেলন অনুষ্ঠিত  ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: জগন্নাথপুরের ৫ যুবকের সলিল সমাধি, এলাকায় শোকের মাতম সংসদে প্রধানমন্ত্রী; পুনরায় জনপ্রতিধিত্বশীল সংসদের যাত্রা শুরু জগন্নাথপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত

জগন্নাথপুরের আলোকিত শিক্ষক সাইদুর রহমান

জগন্নাথপুরের আলোকিত শিক্ষক সাইদুর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের আলোকিত শিক্ষক সাইদুর রহমান। তাঁর হাতেগড়া অনেক ছাত্র বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চতর ডিগ্রি লাভে অধ্যায়নরত ও বিভিন্ন শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবন শেষে কর্ম জীবনে আছেন। যিনি সর্বদা বিনা পারিশ্রমিকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে যাচ্ছেন। যাঁর শিক্ষা দানের আলো ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র।
জানাগেছে, বিগত ২০০১ সালে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান জগন্নাথপুর এসে পৌর শহরের ভবানীপুর গ্রামে বসবাস করেন এবং প্রাইভেট শিক্ষকতা করেন। অবশেষে ২০০৮ সালে তিনি জগন্নাথপুর পৌর সদরে অবস্থিত আবদুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর থেকে তাঁর শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। বর্তমানে তিনি জগন্নাথপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার। সপরিবারে বসবাস করছেন ভবানীপুর গ্রামে।
এদিকে-আলোকিত শিক্ষক সাইদুর রহমানের হাতেগড়া ছাত্র শাওন দাস সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ইমাদ উদ্দিন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছেন। এছাড়া আরো অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীকে তিনি নিয়মিত বিনা পারিশ্রমিকে পাঠদান দিয়ে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে রোববার জানতে চাইলে আলোকিত শিক্ষক সাইদুর রহমান বলেন, জগন্নাথপুর বাসীর সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক হয়ে গেছে। যে কারণে দরিদ্র পরিবারে শিক্ষার্থীদের বিনা পারিশ্রমিকে পাঠদান দিয়ে থাকি। তিনি আরো বলেন, আমি চাই কোন শিক্ষার্থী যেন অকালে ঝরে না পড়ে। তাই বিবেকের তাগিদে অতিরিক্ত সময়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মাধ্যমে লেখাপাড়ায় আরো মনোযোগী করে তোলার চেষ্টা করি। এ ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। যাতে করে জগন্নাথপুরের শিক্ষার হার আরো বৃদ্ধি পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2023 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com