শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
পার্বত্য শান্তি চুক্তি নামে কালো চুক্তি করার প্রতিবাদে ১৯৯৮ সালের ১৫ এপ্রিল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে সারাদেশে অর্ধদিবস হরতাল চলাকালে জগন্নাথপুরে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজ। ২৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ১৫ এপ্রিল রোজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ ঘটিকায় জগন্নাথপুর বাজারে (ইকড়ছই মাদ্রাসা পয়েন্টে)
জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর যুবদলের আয়োজনে জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ও সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আবুল হাশিম ডালিমের সভাপতিত্বে, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জুবেদ আলী লখন ও পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক শামিম আহমেদ এর যৌথ পরিচালনায় এক স্মরন সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ ৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, তার বক্তব্যে বলেন ফ্যাসিষ্ট সরকার হাফিজ হত্যাকারীদের খালাস দিলেও খুনিরা পার পাবে না। হাফিজ হত্যার বিচার হতে হবে। অবশ্যই বিচার হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন এখন জনগনের নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় এবং অনকুল পরিবেশ রয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই মামলার কার্যক্রম শুরু করতে ব্যবস্হা নেওয়া হবে। আরো বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি সদস্য, সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এড. মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি সদস্য এড. জিয়াউর রহিম শাহিন, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমিন, জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ লিটন মিয়া, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জহিরুল ইসলাম লেবু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রাসেল বক্স, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোস্তাফিজুর তালুকদার মুহিত, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জাকির হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য রুকন মিয়া, মোঃ আল আমিন, আব্দুল হক কামালী, কলকলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সেলিম আহমেদ, পাটলী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সুলেমান মিয়া, মিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি খসরু মিয়া, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিন, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সাদিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মামুন মিয়া, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহরুল খান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিজান, জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক বিলাল মিয়া, পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক তারেক মিয়া, মিয়া, পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবুল হোসেন রাব্বি, পৌর যুবদলের সদস্য রুকন মিয়া, শাহাব উদ্দিন, রিপন গোপ প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবু হুরায়রা সাদ মাষ্টার, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি সদস্য আব্দুল মুকিত, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুজাতুর রেজা,
জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোঃ সানোয়ার হাসান সুনু, সাবেক সাধারন সম্পাদক লুৎফুর রহমান চৌধুরী, যুগ্নসাধারন সম্পাদক মির্জা আবুল কাশেম স্বপন,
জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপি ১ম যুগ্ম-আহবায়ক জামাল উদ্দিন আহমেদ, পৌর শাখার আহবায়ক সালাউদ্দিন মিটু, যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল মতিন, জাতিয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ, যুক্তরাজ্য যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফ মিয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুস সোবহান, যুগ্ম-আহবায়ক হাজী সুহেল আহমদ খান টুনু, উপজেলা বিএনপি সদস্য আবুল লেইছ, কলকলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক আনিসুর রহমান তুতি, যুগ্ম-আহবায়ক কামরুজ্জামান কমরু, রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হাজী চান মিয়া, মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আখলুল করিম, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক লুতফুর রহমান কামালী, জগন্নাথপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক সালাউদ্দিন মিটু, যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল মতিন, যুগ্ম-আহবায়ক দিলু মিয়া, যুগ্ম-আহবায়ক শামসুল ইসলাম, যুগ্ম-আহবায়ক তকবুর মিয়া, পৌর বিএনপির সদস্য ফারুক আহমেদ, মঈন উদ্দিন, হাবিল মিয়া, জগন্নাথপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক হাজী হারুনুর রশীদ, সদস্য সচিব নাসিম আহমেদ রুয়েল, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মামুনুর রশীদ মামুন, সদস্য সচিব শামসুল ইসলাম জাবির সহ জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ। সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাদেক আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজের মাগফিরাত কামনা করেন।
তিনি আরো বলেন এখন গনতান্ত্রিক ও আইনের সরকার দেশ পরিচালনা করছে তাই নতুন করে তদন্ত করে শহীদ হাফিজ কে যারা নির্মম ভাবে হত্যা করেছে অবশ্যই তাদের বিচার করতে হবে। শহীদ হাফিজের বিচার অবশ্যই হবে। এই নির্মম হত্যাকান্ড থেকে কেউ রেহাই পাবেনা। তিনি আরও বলেছেন ১২ ফ্রেরুয়ারী নির্বাচনের আগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে যে কর্মসুচির কথাগুলি বলেছিলেন ইতোমধ্য অনেকটা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করে মহিলাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। খাল বিল নদী নালা কাটা শুরু করা হয়েছে। কৃষকদের হাতে স্মার্ট কৃষি কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের জনসাধারণ আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছেন এর জন্যে আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমিও নির্বাচনের আগে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ কে কিভাবে উন্নয়ন করব অনেক জায়গায় বলেছি আজও বলছি আপনাদের কে সাথে নিয়ে আপনাদের পরামর্শ নিয়ে আমি জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ কে একটি আধুনিক উপজেলায় রুপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ।
আলোচনা সভা শেষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন জগন্নাথপুর সদর মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আজমল হোসেন জামি। দোয়াতে শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ফরিয়াদ জানানো হয়েছে মহান আল্লাহ তায়ালা যেন শহীদ হাফিজ কে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধিনতা সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র সর্বপরি বাংলাদেশর ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার বিভিন্ন আন্দোলনে সংগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন,২৪ এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে। জাতিয়তাবাদী পরিবার সহ সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।
Leave a Reply