নিজস্বপ্রতিবেদক: জগন্নাথপুর পৌরশহরের টিএন্ডটি রোডে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি শাখা থেকে এক গ্রাহকের ৫ লাখ টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার যে খবরটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়েছে, তা মূলত একটি যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। রোববার (১৪ জুন) কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে এই বিষয়ে সটিক তথ্য ছাড়াই বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়, যা মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চিত্রের সাথে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়। প্রকৃতপক্ষে, ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার জাহির উদ্দিন ব্যাংক ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। তিনি ব্যাংকে উপস্থিত থেকে গ্রাহকের সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছিলেন।অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্যাংকের অনলাইন সার্ভার বা সেন্ট্রাল ব্যাংকিং সিস্টেমে সাময়িক কারিগরি ত্রুটির কারণে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে টাকা স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটি ঝুলে ছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি হয়তো দ্রুত দায়িত্ব পালন করেনি।পরবর্তীতে আইটি বিভাগের সহায়তায় এই সিস্টেমের সমস্যার সমাধান করা হয় এবং সেদিনই সংশ্লিষ্ট গ্রাহক তছর মিয়া তাঁর পুরো ৫ লাখ টাকা ফেরত পান। তবে ওই দিন অনেক সময় ব্যাংকে বিদ্যুৎ ছিলনা জেনারেটর ও বন্ধ ছিল। ফলে গ্রাহকগন সন্দিহান হয়ে পড়েন। প্রথম দিকে ম্যানেজারের কথায় সন্তুষ্ট হতে পারেনি ওই গ্রাহক এসময় উপস্হিত একজন গ্রাহক সিনিয়র সাংবাদিক কে কাছে পেয়ে ওই গ্রাহক টাকা না দেওয়ার জন্য ম্যানেজারের বিরুধ্বে নানা অভিযোগ করেন। এসময় ওই সিনিয়র সাংবাদিক ম্যানেজার কে দ্রুত গ্রাহককে তার জমা টাকা দেওয়ার রিকোয়েস্ট করেন। পরে তিনি ওই গ্রাহক কে টাকা প্রদান করেন। এই বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক জগন্নাথপুর শাখার ম্যানেজার জহির উদ্দিন জানান, ব্যাংকিং ট্রানজেকশনে মাঝে মাঝে অনলাইন সিস্টেমে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। গ্রাহক তছর মিয়ার টাকা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনই হয়েছিল। টাকাটা অন্য অ্যাকাউন্টে জমা দেখাতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় গ্রাহক আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। এখানে কোনো ধরনের জালিয়াতি বা অর্থ উধাওয়ের ঘটনা ঘটেনি। আর আমি ব্যাংক থেকে পালিয়ে ও যাইনি।ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমরা সবসময় গ্রাহকদের আমানতের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করি এবং রোববারের ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ একটি অনাকাঙ্ক্ষিত যান্ত্রিক ত্রুটি।
Leave a Reply