বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজসেবক জগন্নাথপুর উন্নয়ন সংস্থার ইসিমেম্বার মানবাধিকার সংগঠক তছির আলীর (৪৮) জানাজা সোমবার বিকেল ৫. ১০ মিনিটে স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্হানে তাকে দাফন করা হয়। এর পূর্বে মরহুমের স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তাঁর মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য দেন জগন্নাথুরের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু হোরায়রা ছাদ মাষ্টার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি আব্দুস সোবহান ছালিক মিয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক মেম্বার আব্দুল করিম গেদন প্রমুখ। জানাযা শেষে মহান আল্লাহ পাকের দরবারে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবু আইয়ুব আনসারী। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের মা-বাবার কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এদিকে সোমবার যুক্তরাজ্যে থেকে একটি বিমানের ফ্লাইটে সদ্য প্রয়াত তছির আলীর মরদেহ সিলেট ওসমানি বিমানবন্দর থেকে বিকেল তিনটায় জন্মভিটা জগন্নাপুরে এসে পৌঁছিলে সেখানে এক হৃদয় বিদায়ক দৃশ্যের অবতারণ ঘটে। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে শোকাহত মানুষ ভীর করেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে তছির আলী করোনা আক্রান্ত হয়ে গুরুত্ব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ১৮ জানুয়ারি তিনি যুক্তরাজ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৯ ডিসেম্বর মারা যান তাঁর ছেলে রুবেল মিয়া(২১)। বর্তমানে তাঁর বড় ছেলে রুহেল মিয়া (২৫) করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। অল্পদিনের ব্যবধানে করোনা আক্রান্ত হয়ে বাবা ছেলের মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তছির আলী যুক্তরাজ্য ও জগন্নাথপুরের বিভিন্ন সামাজিক কাজে অগ্রনী ভূমিকা রেখে গেছেন। তাঁর ভূমিকায় জগন্নাথপুর উন্নয়ন সংস্থার অর্থায়নে জগন্নাথপুর হাসপাতালে লাশ রাখার ঘর মরচুয়ারি স্থাপন করা হয়। কিছু দিন আগে মায়ের মৃত্যুতে শিরনীতে দেশে আসেন তছির আলী।শিরনীর পর এলাকার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে একটি মসজিদ তৈরির উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। এছাড়া অনেক মানবিক কাজে মানুষের পাশে ছিলেন।তাঁর মৃত্যুতে এলাকাবাসী শোকাহত।
Leave a Reply