শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতি ও আব্দুল মঈন খানের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানীর শান্তিগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ২২টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শান্তিগঞ্জে মহামায়া যুব সংঘের উদ্যোগে গুরুজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ সুনামগঞ্জে তরুণদের নিয়ে FIVDB-RAISE প্রকল্পের কমিউনিটি আউটরিচ সভা অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতাদের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান প্রদান শান্তিগঞ্জে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ইশরাক পবিত্র ওমরাহ পালনে দোয়া প্রার্থী  জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দিন 

করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ হকের মৃত্যু

করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ হকের মৃত্যু

জগন্নাথপুর নিউজ ডেস্কঃ   কোভিড-১৯ মহামারীর উপসর্গ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ হক (৬৫) মারা গেছেন (ইন্না … রাজিউন)। সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার বেলা ১১টায় তিনি মারা যান। সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আহমদ বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার নিউমোনিয়া ও কাশি নিয়ে সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন এমএ হক। বুধবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি আছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। তার করোনা টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

আলী আহমদ জানান, এমএ হকের করোনা উপসর্গ থাকায় সতর্কতার সঙ্গে তার দাফন ও জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বাদ আসর নগরীর মানিকপীরের টিলার সামনের সড়কে তার জানাজা ও বাদ এশা তার গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হবে।

এমএ হক সিলেট জেলা বিএনপির দীর্ঘদিন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি এক সময় সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

এমএ হকের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে। দীর্ঘ ১২ বছর ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি। ২০০৩ ও ২০০৮ সালের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু বিজয়ী হতে পারেননি।

নির্বাচনে পরাজয়ের পর তিনি রাজনীতির ময়দানে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ২০০৪ সালে জেলা বিএনপির কমিটি ভেঙে দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তিনি বাদ পড়েন ওই কমিটি থেকে। পরে বিএনপির সবশেষ কমিটিতে তাকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা করা হয়।

রাজনৈতিক কর্মজীবনের পাশাপাশি হক তার দাতব্য কাজের জন্য সুপরিচিত। তিনি হক ফাউন্ডেনের পৃষ্ঠপোষক। এই দাতব্য সংস্থা সিলেটের অসহায় অভাবগ্রস্ত সম্প্রদায়কে সহায়তা করে থাকে। এমএ হক দুই সন্তান, স্ত্রী এবং অসংখ্য বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন রেখে যান।

বাদ আসর মানিকপীর রোডে প্রথম জানাজা ও রাত সাড়ে ৮টায় বালাগঞ্জ উপজেলায় গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে বলে জানান জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ।

সুত্রঃ যুগান্তর

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2026 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com