বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, সহযোগী দুই যুবক গ্রেফতার মেয়েকে বিএনপির মনোনয়ন, খুশি আ.লীগ নেত্রী! জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরাম এর আহ্বায়ক কমিটির সভায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত জগন্নাথপুরে স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন  জগন্নাথপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী কিশোর নিহত: সড়ক অবরোধ জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের নাম ব্যবহার করার প্রতিবাদ লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ হাফিজ হত্যার বিচার অবশ্যই হবে :কয়ছর আহমেদ এমপি মইয়ার হাওরে ধান কাটলেন এমপি কয়ছর আহমেদ: ১০০০ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ব্রীজ দেবে যাওয়ায়  সুনামগঞ্জ- জগন্নাথপুর- ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে

শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে

 জগন্নাথপুর নিউজ ডটকম ডেস্ক :: কোটা সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে।

এ ছাড়া রোববারের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনকালে আটক শিক্ষার্থীদের দুপুরের মধ্যে ছেড়ে দিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তা না হলে বিকাল ৩টা থেকে সারা দেশে আন্দোলন তীব্রতর করার ঘোষণা দেন তারা।

সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে গত ১৭ মার্চ থেকে আমরা ধারাবাহিকভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছি। রোববার সপ্তম কর্মসূচি হিসেবে আমরা গণপদযাত্রার আয়োজন করি।

নুরুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে পদযাত্রা করে শাহবাগে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থানকালে পুলিশ বিনা উসকানিতে ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়। তারা আমাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে, রবার বুলেট-কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।

এ সময় প্রাণ বাঁচাতে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ, চারুকলা ইনস্টিটিউট, পাবলিক লাইব্রেরি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়েও পুলিশ তাদের ওপর রবার বুলেট ছোড়ে।

তিনি জানান, রোববার রাত থেকে চালানো হামলায় ২১৭ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ১৭ জনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং ৩৮ জনকে বিভিন্ন আবাসিক হলে রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রাত সাড়ে ৩টায় টিএসসিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সড়ক বাতি নিভিয়ে ছাত্রীদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায়। রাতের অন্ধকারে কেন পুলিশ ছাত্রীদের হামলা চালিয়েছে তার বিচার দাবি করেন তিনি।

ভিসির বাসভবনে হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে হামলার সঙ্গে কোনো আন্দোলনকারী জড়িত নয়। হামলাকারীরা বহিরাগত। এ ঘটনায় জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে বিচারের দাবি করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2023 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com