নিজস্বপ্রতিবেদক: হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও শান্তিগন্জ্ঞ উপজেলায় পৃথক পৃথক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে জগন্নাথপুর পৌরপয়েন্টে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জগন্নাথপুর উপজেলার আহ্বায়ক রুবেল ভূইয়া’র সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব কাইয়ূম আহমদ। বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির যুগ্নআহবায়ক মোঃ আলী আকবর,সদস্য শাহিনূর রহমান, নলুয়ার হাওরের কৃষক নুর আলম, আফজাল হোসেন, জুনেদ আহমদ ভুইয়া, আমির হোসেন, আনসার ভুইয়া, আনা মিয়া,মই হাওরের কৃষক আখলুস মিয়া, উপজেলা কমিটির সদস্য জুনেদ আহমদ, ফয়সল, আশিক, শিফাত আহমদ, পাঠলী ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির চৌধুরী, সমাজকর্মী শাহাজাহান ও মুরাদ চৌধুরী প্রমূখ।একইদিন সোমবার সকাল ১১ টায় জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইমদাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদস্য সচিব আহমদ উসমান। বক্তব্য রাখেন দেখার হাওরের কৃষক আসাব আলী, মোঃ গৌছ উদ্দিন, আসলম উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, আজির উদ্দিন,উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রেদুয়ান আহমেদ, উপজেলা কমিটির সদস্য ইমরানুল হাসান, লায়েক আহমদ, জয়কলস ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক রুয়েল আহমদ, পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সচিব খসরু মিয়া, সমাজকর্মী কিবরিয়া,আজাদ আহমদ,মনসুর উদ্দিন,আজির উদ্দিন, রুহুল মিয়া ও আতিকুর রহমান রাহিম প্রমূখ। পৃথক দুটি সমাবেশে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী। বক্তারা বলেন, জগন্নাথপুরের নলুয়ার হাওর,মই হাওর ও শান্তিগঞ্জের দেখার হাওরসহ দুই উপজেলার অন্যান্য হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় বহু কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে, সাথে তাদের স্বপ্নও তলিয়ে গেছে। তাদের ক্ষতিপূরণ নিরুপন করে ক্ষতিপূণ দিতে হবে। এই দুই উপজেলায় খাল নদী খনন দ্রত শুরু করতে হবে। বিশেষ করে নলজুর নদী ও কালনি নদী খনন জরুরি।অভিযোগের যেন শেষ নেই। প্রায় ১২টি অপ্রয়োজনীয় (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) পিআইসি গঠনের মাধ্যমে সরকারের বরাদ্দ লুটতরাজ করা হয়েছে। জানা গেছে,শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বাধিক ৬৭টি পিআইসি অনুমোদন করা হয়। অথচ তুলনামূলকভাবে আগের বছরগুলিতে সম্পাদিত বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কার্যক্রম অনেকাংশে অক্ষত ছিল। তাছাড়া গতবছর বন্যা না হওয়ায় পূর্বের বছরের অনেক পিআইসির আওতায় নির্মিত বাঁধ বিনষ্ট হয়নি। এবার শুধুমাত্র মাটির প্রলেপ দিয়ে আংশিক মেরামত করত: পিআইসির নামে বরাদ্ধ থেকে পকেট ভারি করছেন,পাউবোর কর্মকর্তা,উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারী ও তাদের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।
Leave a Reply