শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  ইউএনওর কাছে ঠিকাদারদের অভিযোগ  যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে কঠোর জবাবদিহিতার নির্দেশ জগন্নাথপুরে টেন্ডার ছাড়াই পোনামাছ অবমুক্ত: মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ! পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সকল কে সজাগ থাকতে হবে: এমপি কয়ছর আহমদ সুবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন সিএসই বিভাগ জাতিসংঘে ভাষণ/ বিশ্বশান্তি ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শান্তিগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক শামছুজ্জামান  শান্তিগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক রুমা চক্রবর্তী  সুনামগঞ্জের রত্নগর্ভা মা জাহানারা রউফ, ১১ সন্তানই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মেধাবী ছাত্রী ছাইমার ভর্তি সহায়তায় পাশে দাঁড়ালেন জগন্নাথপুরের মানবিক ইউএনও মোঃ ইসলাম উদ্দিন  

এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও বাতিল

এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও বাতিল

জগন্নাথপুর নিউজ ডেস্কঃ   মহামারীর করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ সালের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

বৃহস্পতিবার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বছর পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ইবতেদায়ি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন প্রস্তাবে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা বাতিলে সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এতে এ দুই পরীক্ষার পরিবর্তে স্কুল ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি পরীক্ষা বাতিল করা হলে এ বছরের জন্য মেধাবৃত্তিও না দেয়ার প্রস্তাবও ছিল এতে।

পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে সেটি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রস্তাবে মন্ত্রণালয় বলেছে– ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৭১টি কর্মদিবস নষ্ট হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের ৪০৬ বিষয়ভিত্তিক পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত। ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত সিলেবাসের মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পড়ানো সম্ভব হয়েছে। পাঠ্যবইয়ের অবশিষ্ট অংশ শেষ করতে কমপক্ষে ৫০ কর্মদিবস দরকার। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পাঠদান কার্যক্রম চালানো সম্ভব হলেও ৫০ কর্মদিবস পাওয়া যাবে না।

এতে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিদ্যমান প্রাদুর্ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি। খুলে দেয়া হলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে নাও পাঠাতে পারেন। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর ভাইরাস পরিস্থিতিতে পুনরায় বন্ধ করে দিতে হয়েছে। অন্যদিকে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর টেলিভিশনে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী টেলিভিশন পাঠদানের সুযোগটি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে।

সম্প্রতি বেতারে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে ৯৭ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাঠদানের আওতায় আসতে পারে। এ ছাড়া ৭৬ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে লেখাপড়ার বিষয়ে কথা বলতে পেরেছে।

সুত্রঃ যুগান্তর

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2026 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com